• ঢাকা, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২
  •   | হট লাইনঃ ০১৮৮৩১০৭৯৫৪

বন্দর ইজারার প্রতিবাদে নারায়ণগঞ্জে বাম গণতান্ত্রিক জোটের বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল

বন্দর ইজারার প্রতিবাদে নারায়ণগঞ্জে বাম গণতান্ত্রিক জোটের বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল

রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫, ০৭:৩২ অপরাহ্ণ

বিদেশি কোম্পানির হাতে লালদিয়া কন্টেইনার টার্মিনাল, পানগাঁও টার্মিনাল এবং চট্টগ্রাম বন্দরের ইজারা দেওয়ার সরকারি পরিকল্পনার প্রতিবাদে আজ বিকেলে নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বিক্ষোভ সমাবেশ ও শহরে মিছিল করেছে বাম গণতান্ত্রিক জোট নারায়ণগঞ্জ জেলা। বাম গণতান্ত্রিক জোট নারায়ণগঞ্জ জেলার সমন্বয়ক কমরেড হাফিজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির সভাপতি শিবনাথ চক্রবর্ত্তী, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ নারায়ণগঞ্জ জেলার সদস্যসচিব আবু নাঈম খান বিপ্লব, সিপিবি জেলার সাধারণ সম্পাদক এম এ শাহীন, বাসদ নারায়ণগঞ্জ জেলা ফোরামের সদস্য সেলিম মাহমুদ, এস এম কাদির, সিপিবি নেতা দুলাল সাহা ও ইকবাল হোসেন। নেতৃবৃন্দ তাঁদের বক্তব্যে বলেন, জনমত উপেক্ষা করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ডেনমার্কের প্রতিষ্ঠান এপিএম টার্মিনালকে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় লালদিয়া কন্টেইনার টার্মিনাল নির্মাণ ও পরিচালনার ৪৫ বছরের দায়িত্ব দিচ্ছে। এই চুক্তিতে মাত্র ৬০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করে বছরে ৮ লাখ কন্টেইনার হ্যান্ডলিং করা হবে। এছাড়াও, কেরানীগঞ্জে অবস্থিত চট্টগ্রাম বন্দরের পানগাঁও নৌ টার্মিনালটি ২২ বছরের জন্য সুইজারল্যান্ডের মেডিটেরানিয়ান শিপিং কোম্পানি মেডলগ এস-কে পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। অথচ ২০১৩ সালে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ও অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে ১৫৬ কোটি টাকা ব্যয়ে এই টার্মিনাল নির্মাণ করেছিল। বক্তারা অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সম্পূর্ণ অস্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় এবং প্রয়োজনীয় বোর্ড সদস্য ও মূল্যায়ন কমিটিকে পাশ কাটিয়ে আগামী ১৭ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে এই দুটি কন্টেইনার টার্মিনাল বিদেশি কোম্পানিগুলোর হাতে তুলে দেওয়ার চুক্তি সম্পন্ন করতে চলেছে। গত ৭ ও ৮ নভেম্বর ২০২৫ সাপ্তাহিক ছুটির দিনে চুক্তির নেগোসিয়েশন ও চূড়ান্ত দলিল তৈরির কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের বিদেশি হাতে বন্দর ইজারা দেওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। তাদের উচিত একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থা করে নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা। তাঁরা উল্লেখ করেন, বিগত সরকার দেশের স্বার্থ বিপন্ন করে মেগা প্রকল্প প্রণয়ন করেছিল, যার খেসারত এখন জনগণ দিচ্ছে। অভ্যুত্থান পরবর্তী বর্তমান সরকার সেই ধারাবাহিকতায় দেশের স্বার্থবিরোধী চুক্তি করে দেশকে সর্বনাশের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। তাঁরা জানান, চট্টগ্রামের শ্রমিক-কর্মচারীসহ সর্বস্তরের জনগণ এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে এবং বাম জোটসহ দেশপ্রেমিক জনগণ রোডমার্চসহ নানা কর্মসূচি পালন করেছে, কিন্তু সরকারের টনক নড়েনি। নেতৃবৃন্দ সরকারের এই গণবিরোধী সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রাজপথে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য দেশপ্রেমিক